Indian History: Buddhism & Jainism: Short Description with full Content (PDF)

Indian History: Buddhism & Jainism

A short note with full content with PDF in Bengali

Here we are covering Buddhism or Buddha religion & Jainism or Jain religion In Bengali. It is a very important chapter in history for any type of competitive exam. We hope it will help you to crack your upcoming exam.

Indian History: Buddhism & Jainism: Short Description with full Contant (PDF)


এখানে আমরা বৌদ্ধধর্ম বা Buddhism এবং জৈন ধর্ম বা Jainism কে কভার করেছি। এটি যে কোনও ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য ইতিহাসের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। আমরা আশা করি এটি আপনার আসন্ন পরীক্ষা ক্র্যাক করতে সহায়তা করবে।



আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন



Buddhism or Buddha religion // বৌদ্ধধর্ম

 
প্রতিষ্ঠাতা: গৌতম বুদ্ধ
জন্মস্থান: 563 BC, লুম্বিনী উদ্যান, কপিলাবস্তু, নেপাল
পিতা: শুদ্ধোদন (শাক্য বংশ)
মাতা: মহামায়া ( কল্লিয়া ( kaullia ) বংশ)
বাল্যকালের নাম: সিদ্ধার্থ

অন্যান্য নাম: এশিয়ার আলো ( light of Asia) , শাক্য মুনি (শাক্য বংশে জন্মগ্রহণ করেছিল বলে) , গৌতমি ( বুদ্ধদেবের জন্মের সাত দিনের মাথায় তার মা মারা যান, তাকে দেখাশোনা করেছিলেন তার মাসি প্রজাপতি গৌতমি)

স্ত্রী: যশোধারা
পুত্র: রাহুল
বুদ্ধদেবের ঘোড়ার নাম: কণ্ঠক
বুদ্ধদেবের সারথির নাম: চান্না
 

মহাভিনিষ্ক্রমণ:

বুদ্ধদেব 29 বছর বয়সে বাড়ি ছেড়ে চলে যান এই ঘটনাকে বলা হয়
তারপর অ্যানোমা (Anoma) নদীর তীরে সন্ন্যাস গ্রহণ করে
সন্ন্যাস গ্রহণের পর তার প্রথম শিক্ষক হলেন - আলারা কালামা (Alara kalama)
তারপর তাকে শিক্ষা দিয়েছিলেন--- উদ্রকা রম্পুত্রা ( Udraka ramputra)
35 বছর বয়সে নির্জনা নদীর তীরে উরুভেল্লা নামক স্থানে একটি পিপল গাছের নিচে 49 দিন তপস্যা করে মহা জ্ঞান  প্রাপ্ত হন এই ঘটনা নির্ভানা নামে পরিচিত
জ্ঞান লাভ করার পর তার নাম হয় তথাগত
 

ধর্মচক্র প্রবর্তন:

বুদ্ধদেব তার প্রথম ধর্ম প্রচার করেছিলেন সারনাথ তার পাঁচজন শিষ্যের কাছে এই ঘটনাকে বলা হয় ধর্মচক্র প্রবর্তন
বুদ্ধদেব সারনাথে বৌদ্ধ সংঘ প্রতিষ্ঠা করেছিল ত্রিরত্ন অনুসরণ করার উদ্দেশ্যে
বৌদ্ধ সংঘ যোগদান দেয়ার নূন্যতম বয়স ছিল---15 বছর
বৌদ্ধ সংঘের কাজ শুরু করার জন্য ন্যূনতম সদস্য লাগতো---20 জন সদস্য
বুদ্ধদেবের প্রথম শিষ্য: তাপাসু (Tapasu) এবং ভাল্লুক (Bhalluk/ Kallika)
প্রথম মহিলা শিষ্য: তার মাসি
গৌতমি
বুদ্ধদেব তার শেষ ধর্ম প্রচার করেছিলেন কুশিনগর সুবাচা কে
 

মহাপরিনির্বাণ:

483 BC সালে কুশিনগর হিনাবতি নদীর তীরে 80 বছর বয়সে মারা যান এই ঘটনাকে বলে মহাপরিনির্বাণ। 
বৌদ্ধদের প্রধান ধর্মগ্রন্থ: ত্রিপিটক (পালি ভাষায় রচিত)
বুদ্ধদেব তার ধর্ম প্রচার পালি ভাষায় করত
অষ্টাঙ্গিক মার্গ, মধ্য পথ বৌদ্ধ ধর্মের অন্তর্গত

অষ্টাঙ্গিক মার্গ কি?

অষ্টাঙ্গিক মার্গ গৌতম বুদ্ধ দ্বারা বর্ণিত দুঃখ নিরোধ মার্গ বা দুঃখ নিরসনের উপায়। এটি বৌদ্ধধর্মের মূলকথা চতুরার্য সত্যের চতুর্থতম অংশ।

অষ্টাঙ্গিক মার্গ কিছু বিভক্তির মধ্যে লিপিবদ্ধ, সেগুলো নিয়ে নিম্নে বিস্তির্ন আলোচনা করা হল-

বিভক্তি

অষ্টাঙ্গিক মার্গের আটটি উপদেশকে সম্যক প্রজ্ঞা, সম্যক শীল ও সম্যক সমাধি এই তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে।

বিভক্তি মার্গ*
সম্যক প্রজ্ঞা ১. সম্যক দৃষ্টি
২. সম্যক সঙ্কল্প
সম্যক শীল ৩. সম্যক বাক্য
৪. সম্যক কর্ম
৫. সম্যক জীবিকা
সম্যক সমাধি ৬. সম্যক প্রযত্ন
৭. সম্যক স্মৃতি
৮. সম্যক সমাধি

** এই ৮ টি মার্গকেই অষ্টাঙ্গিক মার্গ বলে।

সম্যক প্রজ্ঞা

সম্যক প্রজ্ঞা দুই প্রকার- সম্যক দৃষ্টি ও সম্যক সঙ্কল্প।

কায়িক, বাচনিক ও মানসিক কর্মের সঠিক জ্ঞানকে সম্যক দৃষ্টি বলে। অহিংসা, চুরি না করা, অব্যভিচার ও সত্যভাষণ হল কায়িক সুকর্ম; নিন্দা না করা, মধুর ভাষণ ও লোভহীনতা হল বাচনিক সুকর্ম এবং মিথ্যা ধারণা না করা ও প্রতিহিংসাপরায়ণ না হওয়া হল মানসিক সুকর্ম। সম্যক দৃষ্টির উদ্দেশ্য হল ভুল, ভ্রান্তি এবং মতিবিভ্রম দূর করা। বাস্তবতা সম্পর্কে সঠিক অর্জনের উপায় হল সম্যক দৃষ্টি।

সম্যক শীল

সম্যক শীল তিন প্রকার- সম্যক বাক্য, সম্যক কর্ম ও সম্যক জীবিকা। মিথ্যা কথা, পরনিন্দা, কটুবাক্য ও অতিকথন ত্যাগ করে সত্যভাষণ ও মধুর বচনকে সম্যক বাক্য বলে। অহিংসা, চুরি না করা, অব্যভিচারকে সম্যক কর্ম এবং অসৎ পন্থা ত্যাগকে সম্যক জীবিকা বলে। গৌতম বুদ্ধ অস্ত্র ব্যবসা, প্রাণী ব্যবসা, মাংস বিক্রয় এবং মদ ও বিষের বাণিজ্যকে মিথ্যা জীবিকা বলে উল্লেখ করেছেন।

সম্যক সমাধি

সম্যক সমাধি তিন প্রকার- সম্যক প্রযত্ন, সম্যক স্মৃতি ও সম্যক সমাধি। ব্যায়াম, ইন্দ্রিয় সংযম, কুচিন্তা ত্যাগ এবং সৎ চিন্তার চেষ্টা ও তাকে স্থায়ী করার চেষ্টাকে সম্যক প্রযত্ন বলে। কায়া, বেদনা, চিত্ত ও মনের ধর্মের সঠিক স্থিতিসমূহ ও তাদের ক্ষণবিধ্বংসী চরিত্রকে সদা স্মরণে রাখাকে সম্যক স্মৃতি এবং চিত্তের একাগ্রতাকে সম্যক সমাধি বলে।
অষ্টাঙ্গিক মার্গ গৌতম বুদ্ধ দ্বারা বর্ণিত দুঃখ নিরোধ মার্গ বা দুঃখ নিরসনের উপায়। এটি বৌদ্ধধর্মের মূলকথা চতুরার্য সত্যের চতুর্থতম অংশ।
 
 

প্রথম বৌদ্ধ পরিষদ (483 BC)

  • স্থান: রাজগৃহ
  • রাজা: অজাত শত্রু (হর্ষঙ্ক বংশ)
  • অধ্যক্ষ: মহাকাশ্যপ
  • ফলাফল: দুটি পিটক যোগ করা হয়েছিল
  • 1) সুত্ত পিটক (বুদ্ধের শিক্ষা লেখা ছিল এতে, রচনা করেছিলেন- আনন্দ )
  • 2) বিনয় পিটক (বৌদ্ধ সংঘের নিয়মাবলী এতে লেখা ছিল, রচনা করেছিলেন- উপালি)
 

দ্বিতীয় বৌদ্ধ পরিষদ (383 BC)

  • স্থান: বৈশালী
  • রাজা: কালাশোক (শিশুনাগ বংশ)
  • অধ্যক্ষ: Sabbakami
 

তৃতীয় বৌদ্ধ পরিষদ (251 BC)

  • স্থান: পাটলিপুত্র
  • রাজা: অশোক (মৌর্য বংশ)
  • অধ্যক্ষ: Mogaliputta tissa
  • ফলাফল: তৃতীয় নম্বর পিটক (অভিধর্ম পিটক) বৌদ্ধ ধর্মের যোগ করা হয়েছিল
 

চতুর্থ বৌদ্ধ পরিষদ (78/81 AD)

  • স্থান: কুণ্ডল বন, কাশ্মীর
  • রাজা: কনিষ্ক (কুষাণ বংশ)
  • অধ্যক্ষ: বসুমিত্র
  • উপাধ্যক্ষ: অশ্বঘোষ
  • ফলাফল: বৌদ্ধ ধর্ম দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেছিল হিনজান মহাযান

হীনযান মহাযান
এরা মূর্তিপূজা বিশ্বাস করত না এরা মূর্তিপূজা বিশ্বাস করত
এরা গৌতম বুদ্ধ কে মানুষ রূপে বিবেচনা করত এরা গৌতম বুদ্ধকে ভগবান হিসেবে বিবেচনা করত
এদের কোন তীর্থক্ষেত্র ছিল না এদের চারটি তীর্থক্ষেত্র ছিল
প্রধানত দেখা যায়- শ্রীলংকা, ইন্দোনেশিয়া, মায়ানমার এশিয়ার বাকি স্থানে এদের দেখা যেত

 

Jainism or Jain religion// জৈন ধর্ম


জৈনদের ধর্মগুরু কে বলা হত - তীর্থঙ্কর
প্রথম তীর্থঙ্কর - ঋষভ দেব
23 তম তীর্থঙ্কর - পার্শ্বনাথ
পার্শ্বনাথ চারটি মহাব্রত চালু করেছিল - 1) সত্য  ) অহিংসা ) অচৌর্য  ) অপরিগ্রহ
24 তম এবং শেষ তীর্থঙ্কর - মহাবীর
জৈন ধর্মের প্রকৃত প্রতিষ্ঠাতা - মহাবীর
 

মহাবীর :

  • জন্ম : 540 B.C. কুন্দগ্রাম, বৈশালী, বিহার
  • বাল্যকালের নাম - বর্ধমান
  • পিতা - সিদ্ধার্থ ( জ্ঞাত্রিক ক্ষত্রিয় বংশ )
  • মাতা - ত্রিশলা ( লিচ্ছবি বংশ )
  • স্ত্রী - যশোদা
  • কন্যা - প্রিয়দর্শিনী
  • জামাতা - জামালি
  • মহাবীর 30 বছর বয়সে তার বড় দাদা নন্দীবর্ধনের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে গৃহত্যাগ করেন
  • জ্ঞান লাভ করার আগে  মহাবীরের প্রথম শিষ্যমাখালি গোসাল
  • আজীবিক ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা - মাখালি গোসাল
  • মগধের রাজা বিন্দুসার আজীবিক ধর্ম অনুসরণ করে চলত
  • জম্বিক গ্রামের কাছে ঋজু পালিকা নদীর তীরে শাল গাছের নিচে 12 বছর ধরে তপস্যা করার পর মহাজ্ঞান প্রাপ্ত হন এই ঘটনা জৈন ধর্মে কৈবল্য নামে পরিচিত
  • মহাবীর পার্শ্বনাথ এর চারটি মহাব্রত এর সঙ্গে ব্রহ্মচর্য  যোগ করেছিলেন
  • জ্ঞান লাভ করার পর প্রথম শিষ্য - তার জামাতা জামালী
  • প্রথম মহিলা শিষ্য - চন্দনা
  • মহাবীরের অন্যান্য নাম - কেভালিন , জিন , নির্গ্রন্থ (সকল বন্ধন থেকে মুক্তি)
  • প্রাচীনকালে মগদের মথুরা ছিল জৈনদের প্রধান কেন্দ্র
  • জৈন ধর্ম কে ছড়িয়ে দেয়ার জন্য 11 জন শিষ্য কে  নিযুক্ত করেছিল এদেরকে বলা হতো গান্ধার
  • এই 11 জন গান্ধার এর মধ্যে কেবলমাত্র শুধারমান মহাবীর এর মৃত্যুর পর বেঁচে ছিল
  • সে তার প্রথম ধর্ম প্রচার করেছিলপাভাপুরি
  • মৃত্যু - 468 BC , পাভাপুরি, বিহার


প্রথম জৈন সম্মেলন : 300 BC

  • স্থান - পাটলিপুত্র
  • রাজা - চন্দ্রগুপ্ত মৌর্য
  • সভাপতি - স্থূলভদ্র
  • মাল্লিনাথ - 19 তম তীর্থঙ্কর
  • ফলাফল : জৈন ধর্ম দুটো সম্প্রদায়ে বিভক্ত হয়ে গেছিল

দিগম্বর শ্বেতাম্বর
এরা ভদ্রবাহুর মত মেনে চলত এরা মহাবীরের শিক্ষা মেনে চলত এবং স্থুল ভদ্র এর অনুগামী
এরা কোন বস্ত্র পরিধান করত না এরা শ্বেত বস্ত্র পরিধান করতো
এরা বিশ্বাস করত মহাবীর ছিল অবিবাহিত এরা বিশ্বাস করত মহাবীর বিবাহিত ছিল
এরা মনে করত মাল্লিনাথ ছিলেন একজন মহিলা এরা মনে করত মাল্লিনাথ ছিলেন পুরুষ

দ্বিতীয় জৈন সম্মেলন : 513 AD

  • স্থান - ভাল্লভি , গুজরাট
  • সভাপতি - দেভার্ধি ক্ষামাশারাভান
  • ফলাফল - জৈনদের শিক্ষা লিপিবদ্ধ করা হয়েছিল
  • জৈন ধর্মগ্রন্থ - অঙ্গ ( Agamas) প্রাকৃত ভাষায় লেখা

আরও পড়ুনঃ বৈদিক সভ্যতা সম্পর্কে সম্পুর্ন নোট


Buddhism or Buddha religion & Jainism or Jain religion In Bengali PDF is here:

PDF ডাউনলোড করুন




আশা করি আমাদের এই উদ্যোগ আপনাকে সর্বদা সাহায্য করবে। আমাদের এই Buddhism or Buddha religion & Jainism or Jain religion (with PDF) আপনাদের প্রতিযগিতামুলক পরীক্ষায় অবশ্যই সাহায্য করবে। Buddhism or Buddha religion & Jainism or Jain religion in Bengali এর বিষয়ে আরও বিষদে জানতে এবং সব কিছুর আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন। লিঙ্ক উপরে দেওয়া আছে। ধ্যন্যবাদ।  (WBPortal Team)
 

0 Comments

Let me know about your quarry, write a comment here...............

Post a Comment

Let me know about your quarry, write a comment here...............

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post