MCQ on Indian
Geography: River, Hill, Mountain, Passage of India In Bengali with PDF
Indian Geography এর উপর 100+ one Liner প্রশ্নউত্তর
ভারতের নদ-নদী, পাহাড়-পর্বত, গিরিপথ ইত্যাদি সম্পর্কে 100+ প্রশ্নউত্তর
Indian Geography MCQ is a very important subject for any competitive exam. We hope this post will help you to crack your upcoming job-related exam.
COmpetitive Exam এ আসার মত কিছু প্রশ্ন নিয়ে এই পোষ্ট, সব চাকুরির পরীক্ষায় Indian Geography একটা খুব গুতুত্বপুর্ন অধ্যায়। আমরা আশা করি এই পোষ্টটি তোমাদের উপকারে আসবে।
Indian Geography: River, Hill, Mountain, Passage of India In Bengali (PDF)
1) হিমালয় পর্বত প্রায়
2500 কিলোমিটার লম্বা।
2) হিমালয় পর্বত সৃষ্টি হওয়ার আগে সেখানে টেথিস সাগর ছিল।
3) হিমালয় পর্বত শ্রেণী একটি নবীন ভঙ্গিল পর্বত এবং এর সব থেকে উত্তরে এবং সবথেকে উঁচু শ্রেণি হলো হিমাদ্রি হিমালয়।
4) ভারতে হিমালয়ের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হল কাঞ্চনজঙ্ঘা যেটি হিমাদ্রি হিমালয়ে এবং সিকিম রাজ্যে অবস্থিত।
5) পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হল মাউন্ট এভারেস্ট (8850 মি.) যেটি হিমাদ্রি হিমালয় অবস্থিত।
6) মাউন্ট এভারেস্টকে নেপালে সাগরমাথা এবং তিব্বতে চোমোলুংমা বলে ডাকা হয়।
7) ভারতের সবথেকে প্রাচীন পর্বত হলো আরাবল্লী পর্বত। যা একটি ক্ষয়জাত ভঙ্গিল পর্বত। আরাবল্লী পর্বতের সর্বোচ্চচ শৃঙ্গ হল গুরুশিখর যা মাউন্ট আবুতে অবস্থিত।
8) আরাবল্লী পর্বত রাজস্থানে অবস্থিত।
9) আরাবল্লী পর্বতের পূর্ব দিকের নদী হল বানাস নদী এবং পশ্চিম দিকে নদী হলো লুনি নদী।
10) লুনি নদী কচ্ছের রনে পতিত হয়েছে।
11) পশ্চিমঘাট পর্বতের অপর নাম মহাদ্রী পর্বত।
12) থালঘাট, ভোরঘাট এবং পালঘাট পশ্চিমঘাট পর্বত অবস্থিত।
13) থালঘাট নাশিক ও মুম্বাই , ভোরঘাট মুম্বাই ও পুনে এবং পালঘাট কোয়েম্বাটুুুর ও কচিন এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
14) ভারতের পূর্বের সমুদ্র উপকূল কে করমন্ডল উপকূল বলে। পশ্চিমে গুজরাট থেকে গোয়া এর সমুদ্র উপকূল কে কঙ্কন উপকূল বলে এবং ম্যাঙ্গালোর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত সমুদ্রর উপকূল কে মালাবার উপকূল বলে।
15) নীলগিরি পাহাড় পশ্চিমঘাট এবং পূর্বঘাট এর মিলনস্থলে অবস্থিত। নীলগিরি পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ দোদাবেতা।
16) ভারতের দক্ষিণ অংশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনাইমুদি। আনাইমুদি শৃঙ্গ আনাইমালাই পাহাড়ে অবস্থিত।
17) ভারতের সবথেকে বড় পাহাড় ডেকান এর পাহাড়। ডেকান এর পাহাড় মহারাষ্ট্রে অবস্থিত।
18) ছোটনাগপুর মালভূমি ভারতের রূঢ় নামে পরিচিত।
19) মালবা পাহাড় আরাবল্লী এবং দক্ষিনে বিন্ধ পর্বত শ্রেণীর মধ্যে অবস্থিত। মালবা পাহাড় মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত।
20) মহেন্দ্রগীরি পূর্বঘাট পর্বতে অবস্থিত।
21) নর্মদা এবং তাপ্তি নদীর মধ্যবর্তী স্থানে সাতপুরা পর্বত অবস্থিত যার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ধুপগুড়ি। ধুয়াধার জলপ্রপাত সাতপুরা পর্বতে নর্মদা নদীর উপর অবস্থিত। যেটি মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে অবস্থিত।
22) গারোপাহাড়, খাসিপাহাড় এবং জয়ন্তিয়া পাহাড় মেঘালয় অবস্থিত।
23) ভারতের সবথেকে বড় নদীর মোহনা হলো হুগলি নদীর মোহনা।
24) ভারতের বড় বড় সমভূমি গুলো নদীর ধারায় বয়ে আসা পলি দ্বারা গঠিত।
25) বায়ু দ্বারা গঠিত সমভূমি কে পেডিপ্লেন বলে।
26) ভারতের দীর্ঘতম নদী গঙ্গা নদী। যার উৎপত্তি উত্তরাখণ্ডের গঙ্গোত্রী হিমবাাহ থেকে হয়েছে। বাস্তবে দেবপ্রয়াগ এ ভাগীরথী এবং অলকানন্দা নদীর সংযুক্ত ধারাকে গঙ্গা নদী বলে।
27) যমুনা নদী গঙ্গা নদীর দীর্ঘতম উপনদী।
28) বাংলাদেশ সে গঙ্গা নদী পদ্মা নদী নামে পরিচিত। বাংলাদেশে পদ্মা নদী এবং ব্রহ্মপুত্র নদীর মিলিত ধারাকে বলা হয় মেঘনা নদী। এবং এই মেঘনা নদীর সর্ববৃহৎ উপনদী হল বরাক নদী।
29) ব্রহ্মপুত্র নদীতে আসাম রাজ্যে পৃথিবীর সবথেকে বড় নদী দ্বীপ মাজুলী অবস্থিত।
30) পৃথিবীর সব থেকে বড় বদ্বীপ সুন্দরবন বদ্বীপ। যা ভাগীরথী হুগলি এবং পদ্মা নদীর মাঝে অবস্থিত।
31) ব্রহ্মপুত্র নদী কে তিব্বতে সাংপো, অরুণাচল প্রদেশ দিহং এবং অসমের ব্রহ্মপুত্র নামে জানা হয়।
32) বাংলাদেশ ব্রহ্মপুত্র নদী কে যমুনা নামে ডাকা হয়।
33) দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা কাবেরী নদী কে বলে।
34) ভারতের দক্ষিণ অংশের দীর্ঘতম নদী গোদাবরী। এবং দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী কৃষ্ণা।
35) গোদাবরী নদী কে বুড়িগঙ্গা অথবা বৃদ্ধগঙ্গা অথবা দক্ষিনগঙ্গা নামে জানা হয়। যা মহারাষ্ট্রের নাসিক এর ত্রয়োম্বকেস্বর এর ব্রহ্মগিরি পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
36) কোন নদী মোহনার কাছে গিয়ে দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেলে সেখানে বদ্বীপ সৃষ্টি করে। বদ্বীপ দেখতেে অনেকটা ত্রিভুজাকার হয়।
37) যে নদীর মোহনায় কোন বদ্বীপ সৃষ্টি হয় না তাকে এসচুয়ারি বলা হয়।
38) নর্মদা এবং তাপ্তি নদীর পশ্চিম বাহিনী নদীর যার মোহনায় কোন বদ্বীপ সৃষ্টি হয়নি।
39) নর্মদা নদীর সৃষ্টি হয়েছে অমরকন্টক থেকে। এবং এই নদীর বেশিরভাগ অংশই রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। নর্মদা নদী কে "গুজরাটের জীবনরেখা" বলা হয়।
40) ভারতের দীর্ঘতম সরলরৈখিক প্রবাহ সম্পন্ন নদী হলো নর্মদা।
41) ভারতের দীর্ঘতম উপনদী হল যমুনা।
42) ভারতের সর্ববৃহৎ নদী সমভূমি (বেসিন) হল গঙ্গা নদীর সমভূমি।
43) আসামের দুঃখ বলা হয় ব্রহ্মপুত্র নদী কে।
44) বিহারের দুঃখ বলা হয় কুসী নদীকে।
45) বাংলার দুঃখ বলা হয় দামোদর নদীকে।
46) ভারতের সবথেকে বড় নদী খাল হল ইন্দিরা গান্ধী খাল অথবা রাজস্থান খাল। যা সতলেজ এবং বিয়াস নদীত থেকে জল ধারণ করে।
47) ভারতের সবথেকে বড় কৃত্রিম হ্রদ হল গোবিন্দ বল্লভ পন্থ সাগর। যা উত্তরপ্রদেশের রিহান্দ নদী তে বানানো বাঁধ থেকে সৃষ্টি।
48) মাটি সম্বন্ধিত পড়াশোনা কে পেডোলজি (Pedology) বলা হয়।
49) পাথর সম্পর্কে পড়াশোনা কে পেট্রলজি (Petrology) বলা হয়।
50) হ্রদ সম্পর্কে পড়াশোনা কে লিম্নলজি (Limnology) বলা হয়।
51) সবথেকে বেশি উর্বর মাটি কে পলি মাটি বলা হয়। প্রাচীন পলিমাটি কে ভাঙ্গড়় এবং নবীন পলিমাটি কে খাদার বলাা হয়।
52) কার্পাস চাষের জন্য কৃষ্ণ মৃত্তিকার প্রয়োজন হয় যা রেগুর মৃত্তিকা নামেও পরিচিত। এই কৃষ্ণ মৃত্তিকা মহারাষ্ট্রে বেশি পরিমাণ দেখা যায়।
53) লোহার অক্সাইড বেশি পরিমাণে থাকার জন্য ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা অথবা লৌহ মৃত্তিকার রং লাল হয়। চা চাষের জন্য ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা খুবই উপযোোগী যার মধ্যে আয়রন (লোহা) এবং সিলিকা থাকে।
54) ভারতের জলবায়ু উষ্ণ ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর অন্তর্গত।
55) ভারতে অধিকাংশ বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর জন্য হয়। ভারতে বর্ষাকাল জুনের প্রথম দিকে কেরল রাজ্যে প্রথম শুরু হয়।
56) জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাসে মৌসুমী বায়ু ফেরার পথে তামিলনাড়ুর উপকূলবর্তী অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ঘটায়, এই বৃষ্টিপাত হয় উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ুর জন্য।
57) রবি ফসল অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বোনা হয় এবং মার্চ-এপ্রিল মাসে কাটা হয়। গম, যব, ছোলা, মটর, মসুর, আলু, রাই ইত্যাদি হল রবি ফসলের উদাহরণ।
58) খারিফ ফসল জুন-জুলাই মাসে বোনা হয় এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে কাটা হয়। ধান, আখ, জোয়ার, বাজরা, অহরহ ইত্যাদি হল খারিফ ফসল এর উদাহরণ।
59) লাক্ষাদ্বীপপুঞ্জ আরব সাগরে অবস্থিত। এই দ্বীপপুঞ্জ প্রবাল দ্বারা গঠিত। লাক্ষাদ্বীপ এর রাজধানীর নাম হল কাভারাত্তি। এই দ্বীপপুঞ্জে মোট 36 টি দ্বীপ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়় দ্বীপ হল আন্দ্রট (Andrott) দীপ। এবং সবচেয়ে ছোট দ্বীপ হল বিত্রা (Bitra) দ্বীপ। লাক্ষাদ্বীপের ভাষা হল মালায়ালাম।
60) 8° চ্যানেল মিনিকয় এবং মালদ্বীপকে আলাদা করে। এবং 9° চ্যানেল লাক্ষাদ্বীপ এবং মিনিকয় কে আলাদা করে।
61) শ্রী হরি কোটা আরো একটি প্রবাল দ্বীপ।
62) আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। এই দ্বীপটি অগ্নেওগিরি দ্বারা গঠিত। আনদাবান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী হল পোর্ট ব্লেয়ার। এই দ্বীপপুঞ্জ কে মর্কট দ্বীপ হিসেবে ও অচেনা হয়। স্যাডেল পিক এই স্থানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যা উত্তর আন্দামানে অবস্থিত। 10° চ্যানেল আন্দামাান কে এবং গ্র্যান্ড চ্যানেল সুমাত্রারা বা ইন্দোনেশিয় দ্বীপ কে গ্রেট নিকোবর দ্বীপ থেকে আলাদা করেছে। আগ্নেয়গিরির দ্বীপ নারকোডাম উত্তর আন্দামানে অবস্থিত।
63) স্বাধীনতার পূর্বে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কে কালাপানি নামে ডাকা হতো।
64) আদম ব্রিজ তামিলনাড়ু এবং শ্রীলংকার মধ্যে অবস্থিত।
65) নিউ মুর দ্বীপ বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ এবং ভারতের সীমাতে অবস্থিত।
65) পম্বন দ্বীপ মান্নার উপসাগর ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাঝে অবস্থিত যেটি আদম ব্রিজ এর একটি অংশ।
66) ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গডউইন অস্টিন বা K2, যেটি কারাকোরাম পর্বতে অবস্থিত।
67) মহান হিমালয় পর্বত শ্রেণীর উত্তরে অবস্থিত শ্রেণী হল ট্রান্স হিমালয়, যেটি তিব্বতে অবস্থিত । কারাকোরাম, লাদাখ, কৈলাস ইত্যাদি ট্রান্স হিমালয় এর অংশ।
68) ট্রান্স হিমালয়, বৃহৎ হিমালয় থেকে হিংজ লাইন দ্বারা আলাদা হয়।
69) শিপকিলা, বারালাচা এবং রহতাং গিরিপথ হিমাচল প্রদেশ এ অবস্থিত।
70) বুর্জিলা এবং জোজিলা গিরিপথ কাশ্মীরে অবস্থিত।
71) লিপুলেখ, ভাগলা এবং নিতিলা গিরিপথ উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত।
72) জেলেপা লা এবং নাথুলা গিরিপথ সিকিম রাজ্য অবস্থিত।
73) বোমডিলা, বুমলা, টিফু এবং ইয়াংয়াপ গিরিপথ অরুণাচল প্রদেশে অবস্থিত।
74) মধ্য অথবা লঘু হিমালয় মহান হিমালয়ের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। পিরপাঞ্জাল (জম্মু-কাশ্মীর), ধুলাধর (হিমাচল প্রদেশ) এবং মহাভারত (নেপাল) শ্রেণি গুলি লঘুুু হিমালয়ের অংশ। মধ্য হিমালয় এ পিরপাঞ্জল এবং বানিহাল দুটি প্রমুখ গিরিপথ অবস্থিত।
75) সিমলা লঘু হিমালয়ের ধুলাধর শ্রেণীতে অবস্থিত।
76) বৃহৎ এবং লঘু হিমালয়ের মধ্যে কাশ্মীর উপত্যকা, লাহুল স্পিতি, কাংগড়া এবং কুলু উপত্যকা মিলিত হয়।
77) শিমলা, কুল্লু, মানালি, দার্জিলিং, মসৌরি, রানীক্ষেত ইত্যাদি লঘু হিমালয় অবস্থিত।
78) হিমালয়ের সবথেকে নবীনতম শ্রেণি হলো শিবালিক হিমালয় বা নিম্ন হিমালয়।
79) শিবালিক হিমালয় সিন্ধু এবং সতলেজ নদীর মাঝখানে অবস্থিত।
80) লঘু হিমালয় এবং শিবালিক হিমালয়ের মাঝে অনেক উপত্যকা আছে। যার মধ্যে পূর্বে হারিদুয়ার এবং কটদুয়ার এবং পশ্চিমে দেরাদুন অবস্থিত।
81) লঘু হিমালয় শ্রেণীর ঢালে যে ছোট ছোট ঘাস যুক্ত উদ্যান দেখা যায় তাকে জম্মু-কাশ্মীরে মার্গ বলা হয় যেমন গুলমার্গ, সোনমার্গ ইত্যাদি।
82) অন্নপূর্ণা পর্বত শিখর নেপালে অবস্থিত।
83) কলসুবাই বা কুদ্রেমুখ পশ্চিমঘাট পর্বতের শৃঙ্গ যা উত্তর দক্ষিণ সহাদ্রী এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
84) মহাবালেশ্বর উত্তর সহাদ্রী এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গের উচ্চতম বিন্দু হল বিস্লন পয়েন্ট।
85) খাইবার গিরিপথ আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মাঝে অবস্থিত।
86) গিরনার পাহাড় গুজরাটে অবস্থিত।
87) মহাকাল পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ অমরকন্টক যা ছত্রিশগড়ে অবস্থিত।
88) শিবালিক হিমালয়ের নির্মাণ সেনোজোয়িক সময়কালে হয়েছিল। যার পাদদেশের উপত্যকাকে তরাই অঞ্চল বলা হয়।
89) প্রয়োদ্বীপিয় পাহাড় গন্ডোয়ানাল্যান্ড এর অংশ যার আকৃতি ত্রিভুজাকার।
90) সাতপুরা পাহাড় মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে অবস্থিত।
91) বিন্ধ পর্বত এবং সাতপুরা পর্বত প্রয়োদ্বীপিয় পাহাড়ের দুটি অংশ।
92) ছোটনাগপুর মালভূমি কে ভারতের রূঢ় বলা হয়, যার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল পার্শ্বনাথ।
93) দামোদর নদী ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এবং এই দামোদর নদীকে জৈবিক মরুস্থল বলা হয়।
94) আন্দামান-নিকোবরের সবথেকে বড় দ্বীপ মধ্য আন্দামান।
95) হিমালয় পর্বত শ্রেণীর সবথেকে পূর্বের শৃঙ্গ হল নামচাবারোয়া, এটি অরুণাচল এবং তিব্বত-এর সীমা তে অবস্থিত।
96) হিমালয়ের কৈলাস পর্বত মালা চীনে অবস্থিত।
97) নন্দাদেবী শৃঙ্গ কুমায়ুন হিমালয় এর ভাগ।
98) মধ্যপ্রদেশের পাঁচমারি পর্যটনস্থল সাতপুরা পর্বত অবস্থিত। পাঁচমারি কে সাতপুরা পর্বতের রানী বলা হয়।
99) মহাদেব পাহাড় মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত।
100) সারামনি পর্বত নাগাল্যান্ডে অবস্থিত।
101) মহেন্দ্রগীরি শৃঙ্গ পূর্বঘাট পর্বতে অবস্থিত।
102) ভারতের উত্তর-পশ্চিম ভাগে শীতকালীন বর্ষার কারন হল পশ্চিমী ঝঞ্জা।
103) যোগ অথবা গরসপ্পা জলপ্রপাত এর নাম মহাত্মা গান্ধী জলপ্রপাত।
104) ভারতে কাবেরী, গঙ্গা, মহানদী ইত্যাদি বদ্বীপ সৃষ্টিকারী নদী।
2) হিমালয় পর্বত সৃষ্টি হওয়ার আগে সেখানে টেথিস সাগর ছিল।
3) হিমালয় পর্বত শ্রেণী একটি নবীন ভঙ্গিল পর্বত এবং এর সব থেকে উত্তরে এবং সবথেকে উঁচু শ্রেণি হলো হিমাদ্রি হিমালয়।
4) ভারতে হিমালয়ের সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হল কাঞ্চনজঙ্ঘা যেটি হিমাদ্রি হিমালয়ে এবং সিকিম রাজ্যে অবস্থিত।
5) পৃথিবীর সর্বোচ্চ পর্বত শৃঙ্গ হল মাউন্ট এভারেস্ট (8850 মি.) যেটি হিমাদ্রি হিমালয় অবস্থিত।
6) মাউন্ট এভারেস্টকে নেপালে সাগরমাথা এবং তিব্বতে চোমোলুংমা বলে ডাকা হয়।
7) ভারতের সবথেকে প্রাচীন পর্বত হলো আরাবল্লী পর্বত। যা একটি ক্ষয়জাত ভঙ্গিল পর্বত। আরাবল্লী পর্বতের সর্বোচ্চচ শৃঙ্গ হল গুরুশিখর যা মাউন্ট আবুতে অবস্থিত।
8) আরাবল্লী পর্বত রাজস্থানে অবস্থিত।
9) আরাবল্লী পর্বতের পূর্ব দিকের নদী হল বানাস নদী এবং পশ্চিম দিকে নদী হলো লুনি নদী।
10) লুনি নদী কচ্ছের রনে পতিত হয়েছে।
11) পশ্চিমঘাট পর্বতের অপর নাম মহাদ্রী পর্বত।
12) থালঘাট, ভোরঘাট এবং পালঘাট পশ্চিমঘাট পর্বত অবস্থিত।
13) থালঘাট নাশিক ও মুম্বাই , ভোরঘাট মুম্বাই ও পুনে এবং পালঘাট কোয়েম্বাটুুুর ও কচিন এর মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে।
14) ভারতের পূর্বের সমুদ্র উপকূল কে করমন্ডল উপকূল বলে। পশ্চিমে গুজরাট থেকে গোয়া এর সমুদ্র উপকূল কে কঙ্কন উপকূল বলে এবং ম্যাঙ্গালোর থেকে কন্যাকুমারী পর্যন্ত সমুদ্রর উপকূল কে মালাবার উপকূল বলে।
15) নীলগিরি পাহাড় পশ্চিমঘাট এবং পূর্বঘাট এর মিলনস্থলে অবস্থিত। নীলগিরি পাহাড়ের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ দোদাবেতা।
16) ভারতের দক্ষিণ অংশের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ আনাইমুদি। আনাইমুদি শৃঙ্গ আনাইমালাই পাহাড়ে অবস্থিত।
17) ভারতের সবথেকে বড় পাহাড় ডেকান এর পাহাড়। ডেকান এর পাহাড় মহারাষ্ট্রে অবস্থিত।
18) ছোটনাগপুর মালভূমি ভারতের রূঢ় নামে পরিচিত।
19) মালবা পাহাড় আরাবল্লী এবং দক্ষিনে বিন্ধ পর্বত শ্রেণীর মধ্যে অবস্থিত। মালবা পাহাড় মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত।
20) মহেন্দ্রগীরি পূর্বঘাট পর্বতে অবস্থিত।
21) নর্মদা এবং তাপ্তি নদীর মধ্যবর্তী স্থানে সাতপুরা পর্বত অবস্থিত যার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ ধুপগুড়ি। ধুয়াধার জলপ্রপাত সাতপুরা পর্বতে নর্মদা নদীর উপর অবস্থিত। যেটি মধ্যপ্রদেশের জব্বলপুরে অবস্থিত।
22) গারোপাহাড়, খাসিপাহাড় এবং জয়ন্তিয়া পাহাড় মেঘালয় অবস্থিত।
23) ভারতের সবথেকে বড় নদীর মোহনা হলো হুগলি নদীর মোহনা।
24) ভারতের বড় বড় সমভূমি গুলো নদীর ধারায় বয়ে আসা পলি দ্বারা গঠিত।
25) বায়ু দ্বারা গঠিত সমভূমি কে পেডিপ্লেন বলে।
26) ভারতের দীর্ঘতম নদী গঙ্গা নদী। যার উৎপত্তি উত্তরাখণ্ডের গঙ্গোত্রী হিমবাাহ থেকে হয়েছে। বাস্তবে দেবপ্রয়াগ এ ভাগীরথী এবং অলকানন্দা নদীর সংযুক্ত ধারাকে গঙ্গা নদী বলে।
27) যমুনা নদী গঙ্গা নদীর দীর্ঘতম উপনদী।
28) বাংলাদেশ সে গঙ্গা নদী পদ্মা নদী নামে পরিচিত। বাংলাদেশে পদ্মা নদী এবং ব্রহ্মপুত্র নদীর মিলিত ধারাকে বলা হয় মেঘনা নদী। এবং এই মেঘনা নদীর সর্ববৃহৎ উপনদী হল বরাক নদী।
29) ব্রহ্মপুত্র নদীতে আসাম রাজ্যে পৃথিবীর সবথেকে বড় নদী দ্বীপ মাজুলী অবস্থিত।
30) পৃথিবীর সব থেকে বড় বদ্বীপ সুন্দরবন বদ্বীপ। যা ভাগীরথী হুগলি এবং পদ্মা নদীর মাঝে অবস্থিত।
31) ব্রহ্মপুত্র নদী কে তিব্বতে সাংপো, অরুণাচল প্রদেশ দিহং এবং অসমের ব্রহ্মপুত্র নামে জানা হয়।
32) বাংলাদেশ ব্রহ্মপুত্র নদী কে যমুনা নামে ডাকা হয়।
33) দক্ষিণ ভারতের গঙ্গা কাবেরী নদী কে বলে।
34) ভারতের দক্ষিণ অংশের দীর্ঘতম নদী গোদাবরী। এবং দ্বিতীয় দীর্ঘতম নদী কৃষ্ণা।
35) গোদাবরী নদী কে বুড়িগঙ্গা অথবা বৃদ্ধগঙ্গা অথবা দক্ষিনগঙ্গা নামে জানা হয়। যা মহারাষ্ট্রের নাসিক এর ত্রয়োম্বকেস্বর এর ব্রহ্মগিরি পর্বত থেকে উৎপন্ন হয়েছে।
36) কোন নদী মোহনার কাছে গিয়ে দুটি ভাগে ভাগ হয়ে গেলে সেখানে বদ্বীপ সৃষ্টি করে। বদ্বীপ দেখতেে অনেকটা ত্রিভুজাকার হয়।
37) যে নদীর মোহনায় কোন বদ্বীপ সৃষ্টি হয় না তাকে এসচুয়ারি বলা হয়।
38) নর্মদা এবং তাপ্তি নদীর পশ্চিম বাহিনী নদীর যার মোহনায় কোন বদ্বীপ সৃষ্টি হয়নি।
39) নর্মদা নদীর সৃষ্টি হয়েছে অমরকন্টক থেকে। এবং এই নদীর বেশিরভাগ অংশই রয়েছে মধ্যপ্রদেশ। নর্মদা নদী কে "গুজরাটের জীবনরেখা" বলা হয়।
40) ভারতের দীর্ঘতম সরলরৈখিক প্রবাহ সম্পন্ন নদী হলো নর্মদা।
41) ভারতের দীর্ঘতম উপনদী হল যমুনা।
42) ভারতের সর্ববৃহৎ নদী সমভূমি (বেসিন) হল গঙ্গা নদীর সমভূমি।
43) আসামের দুঃখ বলা হয় ব্রহ্মপুত্র নদী কে।
44) বিহারের দুঃখ বলা হয় কুসী নদীকে।
45) বাংলার দুঃখ বলা হয় দামোদর নদীকে।
46) ভারতের সবথেকে বড় নদী খাল হল ইন্দিরা গান্ধী খাল অথবা রাজস্থান খাল। যা সতলেজ এবং বিয়াস নদীত থেকে জল ধারণ করে।
47) ভারতের সবথেকে বড় কৃত্রিম হ্রদ হল গোবিন্দ বল্লভ পন্থ সাগর। যা উত্তরপ্রদেশের রিহান্দ নদী তে বানানো বাঁধ থেকে সৃষ্টি।
48) মাটি সম্বন্ধিত পড়াশোনা কে পেডোলজি (Pedology) বলা হয়।
49) পাথর সম্পর্কে পড়াশোনা কে পেট্রলজি (Petrology) বলা হয়।
50) হ্রদ সম্পর্কে পড়াশোনা কে লিম্নলজি (Limnology) বলা হয়।
51) সবথেকে বেশি উর্বর মাটি কে পলি মাটি বলা হয়। প্রাচীন পলিমাটি কে ভাঙ্গড়় এবং নবীন পলিমাটি কে খাদার বলাা হয়।
52) কার্পাস চাষের জন্য কৃষ্ণ মৃত্তিকার প্রয়োজন হয় যা রেগুর মৃত্তিকা নামেও পরিচিত। এই কৃষ্ণ মৃত্তিকা মহারাষ্ট্রে বেশি পরিমাণ দেখা যায়।
53) লোহার অক্সাইড বেশি পরিমাণে থাকার জন্য ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা অথবা লৌহ মৃত্তিকার রং লাল হয়। চা চাষের জন্য ল্যাটেরাইট মৃত্তিকা খুবই উপযোোগী যার মধ্যে আয়রন (লোহা) এবং সিলিকা থাকে।
54) ভারতের জলবায়ু উষ্ণ ক্রান্তীয় মৌসুমী জলবায়ুর অন্তর্গত।
55) ভারতে অধিকাংশ বৃষ্টিপাত দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর জন্য হয়। ভারতে বর্ষাকাল জুনের প্রথম দিকে কেরল রাজ্যে প্রথম শুরু হয়।
56) জানুয়ারি ফেব্রুয়ারি মাসে মৌসুমী বায়ু ফেরার পথে তামিলনাড়ুর উপকূলবর্তী অঞ্চলে বৃষ্টিপাত ঘটায়, এই বৃষ্টিপাত হয় উত্তর পূর্ব মৌসুমি বায়ুর জন্য।
57) রবি ফসল অক্টোবর-নভেম্বর মাসে বোনা হয় এবং মার্চ-এপ্রিল মাসে কাটা হয়। গম, যব, ছোলা, মটর, মসুর, আলু, রাই ইত্যাদি হল রবি ফসলের উদাহরণ।
58) খারিফ ফসল জুন-জুলাই মাসে বোনা হয় এবং নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে কাটা হয়। ধান, আখ, জোয়ার, বাজরা, অহরহ ইত্যাদি হল খারিফ ফসল এর উদাহরণ।
59) লাক্ষাদ্বীপপুঞ্জ আরব সাগরে অবস্থিত। এই দ্বীপপুঞ্জ প্রবাল দ্বারা গঠিত। লাক্ষাদ্বীপ এর রাজধানীর নাম হল কাভারাত্তি। এই দ্বীপপুঞ্জে মোট 36 টি দ্বীপ আছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড়় দ্বীপ হল আন্দ্রট (Andrott) দীপ। এবং সবচেয়ে ছোট দ্বীপ হল বিত্রা (Bitra) দ্বীপ। লাক্ষাদ্বীপের ভাষা হল মালায়ালাম।
60) 8° চ্যানেল মিনিকয় এবং মালদ্বীপকে আলাদা করে। এবং 9° চ্যানেল লাক্ষাদ্বীপ এবং মিনিকয় কে আলাদা করে।
61) শ্রী হরি কোটা আরো একটি প্রবাল দ্বীপ।
62) আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ বঙ্গোপসাগরে অবস্থিত। এই দ্বীপটি অগ্নেওগিরি দ্বারা গঠিত। আনদাবান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জের রাজধানী হল পোর্ট ব্লেয়ার। এই দ্বীপপুঞ্জ কে মর্কট দ্বীপ হিসেবে ও অচেনা হয়। স্যাডেল পিক এই স্থানের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ যা উত্তর আন্দামানে অবস্থিত। 10° চ্যানেল আন্দামাান কে এবং গ্র্যান্ড চ্যানেল সুমাত্রারা বা ইন্দোনেশিয় দ্বীপ কে গ্রেট নিকোবর দ্বীপ থেকে আলাদা করেছে। আগ্নেয়গিরির দ্বীপ নারকোডাম উত্তর আন্দামানে অবস্থিত।
63) স্বাধীনতার পূর্বে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ কে কালাপানি নামে ডাকা হতো।
64) আদম ব্রিজ তামিলনাড়ু এবং শ্রীলংকার মধ্যে অবস্থিত।
65) নিউ মুর দ্বীপ বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশ এবং ভারতের সীমাতে অবস্থিত।
65) পম্বন দ্বীপ মান্নার উপসাগর ভারত এবং শ্রীলঙ্কার মাঝে অবস্থিত যেটি আদম ব্রিজ এর একটি অংশ।
66) ভারতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ গডউইন অস্টিন বা K2, যেটি কারাকোরাম পর্বতে অবস্থিত।
67) মহান হিমালয় পর্বত শ্রেণীর উত্তরে অবস্থিত শ্রেণী হল ট্রান্স হিমালয়, যেটি তিব্বতে অবস্থিত । কারাকোরাম, লাদাখ, কৈলাস ইত্যাদি ট্রান্স হিমালয় এর অংশ।
68) ট্রান্স হিমালয়, বৃহৎ হিমালয় থেকে হিংজ লাইন দ্বারা আলাদা হয়।
69) শিপকিলা, বারালাচা এবং রহতাং গিরিপথ হিমাচল প্রদেশ এ অবস্থিত।
70) বুর্জিলা এবং জোজিলা গিরিপথ কাশ্মীরে অবস্থিত।
71) লিপুলেখ, ভাগলা এবং নিতিলা গিরিপথ উত্তরাখণ্ডে অবস্থিত।
72) জেলেপা লা এবং নাথুলা গিরিপথ সিকিম রাজ্য অবস্থিত।
73) বোমডিলা, বুমলা, টিফু এবং ইয়াংয়াপ গিরিপথ অরুণাচল প্রদেশে অবস্থিত।
74) মধ্য অথবা লঘু হিমালয় মহান হিমালয়ের দক্ষিণ দিকে অবস্থিত। পিরপাঞ্জাল (জম্মু-কাশ্মীর), ধুলাধর (হিমাচল প্রদেশ) এবং মহাভারত (নেপাল) শ্রেণি গুলি লঘুুু হিমালয়ের অংশ। মধ্য হিমালয় এ পিরপাঞ্জল এবং বানিহাল দুটি প্রমুখ গিরিপথ অবস্থিত।
75) সিমলা লঘু হিমালয়ের ধুলাধর শ্রেণীতে অবস্থিত।
76) বৃহৎ এবং লঘু হিমালয়ের মধ্যে কাশ্মীর উপত্যকা, লাহুল স্পিতি, কাংগড়া এবং কুলু উপত্যকা মিলিত হয়।
77) শিমলা, কুল্লু, মানালি, দার্জিলিং, মসৌরি, রানীক্ষেত ইত্যাদি লঘু হিমালয় অবস্থিত।
78) হিমালয়ের সবথেকে নবীনতম শ্রেণি হলো শিবালিক হিমালয় বা নিম্ন হিমালয়।
79) শিবালিক হিমালয় সিন্ধু এবং সতলেজ নদীর মাঝখানে অবস্থিত।
80) লঘু হিমালয় এবং শিবালিক হিমালয়ের মাঝে অনেক উপত্যকা আছে। যার মধ্যে পূর্বে হারিদুয়ার এবং কটদুয়ার এবং পশ্চিমে দেরাদুন অবস্থিত।
81) লঘু হিমালয় শ্রেণীর ঢালে যে ছোট ছোট ঘাস যুক্ত উদ্যান দেখা যায় তাকে জম্মু-কাশ্মীরে মার্গ বলা হয় যেমন গুলমার্গ, সোনমার্গ ইত্যাদি।
82) অন্নপূর্ণা পর্বত শিখর নেপালে অবস্থিত।
83) কলসুবাই বা কুদ্রেমুখ পশ্চিমঘাট পর্বতের শৃঙ্গ যা উত্তর দক্ষিণ সহাদ্রী এর সর্বোচ্চ শৃঙ্গ।
84) মহাবালেশ্বর উত্তর সহাদ্রী এর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ শৃঙ্গের উচ্চতম বিন্দু হল বিস্লন পয়েন্ট।
85) খাইবার গিরিপথ আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের মাঝে অবস্থিত।
86) গিরনার পাহাড় গুজরাটে অবস্থিত।
87) মহাকাল পর্বতের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ অমরকন্টক যা ছত্রিশগড়ে অবস্থিত।
88) শিবালিক হিমালয়ের নির্মাণ সেনোজোয়িক সময়কালে হয়েছিল। যার পাদদেশের উপত্যকাকে তরাই অঞ্চল বলা হয়।
89) প্রয়োদ্বীপিয় পাহাড় গন্ডোয়ানাল্যান্ড এর অংশ যার আকৃতি ত্রিভুজাকার।
90) সাতপুরা পাহাড় মধ্যপ্রদেশ রাজ্যে অবস্থিত।
91) বিন্ধ পর্বত এবং সাতপুরা পর্বত প্রয়োদ্বীপিয় পাহাড়ের দুটি অংশ।
92) ছোটনাগপুর মালভূমি কে ভারতের রূঢ় বলা হয়, যার সর্বোচ্চ শৃঙ্গ হল পার্শ্বনাথ।
93) দামোদর নদী ছোটনাগপুর মালভূমি থেকে উৎপন্ন হয়েছে। এবং এই দামোদর নদীকে জৈবিক মরুস্থল বলা হয়।
94) আন্দামান-নিকোবরের সবথেকে বড় দ্বীপ মধ্য আন্দামান।
95) হিমালয় পর্বত শ্রেণীর সবথেকে পূর্বের শৃঙ্গ হল নামচাবারোয়া, এটি অরুণাচল এবং তিব্বত-এর সীমা তে অবস্থিত।
96) হিমালয়ের কৈলাস পর্বত মালা চীনে অবস্থিত।
97) নন্দাদেবী শৃঙ্গ কুমায়ুন হিমালয় এর ভাগ।
98) মধ্যপ্রদেশের পাঁচমারি পর্যটনস্থল সাতপুরা পর্বত অবস্থিত। পাঁচমারি কে সাতপুরা পর্বতের রানী বলা হয়।
99) মহাদেব পাহাড় মধ্যপ্রদেশে অবস্থিত।
100) সারামনি পর্বত নাগাল্যান্ডে অবস্থিত।
101) মহেন্দ্রগীরি শৃঙ্গ পূর্বঘাট পর্বতে অবস্থিত।
102) ভারতের উত্তর-পশ্চিম ভাগে শীতকালীন বর্ষার কারন হল পশ্চিমী ঝঞ্জা।
103) যোগ অথবা গরসপ্পা জলপ্রপাত এর নাম মহাত্মা গান্ধী জলপ্রপাত।
104) ভারতে কাবেরী, গঙ্গা, মহানদী ইত্যাদি বদ্বীপ সৃষ্টিকারী নদী।
Indian Geography: River, Hill, Mountain, Passage of India In Bengali PDF is here:
আশা করি আমাদের এই উদ্যোগ আপনাকে সর্বদা সাহায্য করবে। আমাদের এই Indian Geography: River, Hill, Mountain, Passage of India In Bengali (PDF) আপনাদের প্রতিযগিতামুলক পরীক্ষায় অবশ্যই সাহায্য করবে।Indian Geography: River, Hill, Mountain, Passage of India In Bengali (PDF) এর বিষয়ে আরও বিষদে জানতে এবং সব কিছুর আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন। লিঙ্ক উপরে দেওয়া আছে। ধ্যন্যবাদ। (WBPortal Team)


Post a Comment
Let me know about your quarry, write a comment here...............