NCERT Science Bengali Version book: Matter in our surrounding In Bengali

NCERT Science Book in Bengali: Matter in our surrounding

NCERT Class 9 Science Chapter 1: Matter in our surrounding (with PDF)

NCERT Bengali Version book: Science is very important for all the competitive exam, nowadays all the question related to competitive exam comes from NCERT Science Book. Here we are going to translate the total NCERT Science Book in Bengali. It will help you to understand very easily the whole NCERT Science Book. We hope it will help you in the upcoming RRB, SSC, WBP, LDC, etc exams.

NCERT Science Book in Bengali: Matter in our surrounding


NCERT Bengali Version book: সমস্ত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার জন্য বিজ্ঞান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, আজকাল প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা সংক্রান্ত সমস্ত প্রশ্ন NCERT Science বই থেকে আসে। এখানে আমরা সম্পুর্ন NCERT Science Book বাংলায় অনুবাদ করতে যাচ্ছি। এটি আপনাকে সহজেই পুরো NCERT Science বইটি বুঝতে সাহায্য করবে। আমরা আশা করি এটি আসন্ন  RRB, SSC, WBP, LDC ইত্যাদি পরীক্ষায় আপনাকে সহায়তা করবে।



আরও বিস্তারিত জানতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন




অধ্যায়ের বিষয় বস্তুঃ

  1. পদার্থ কি? এবং তার ধর্ম
  2. ব্যাপন ও তার ব্যাবহার
  3. ব্রাউনিয়ান গতি
  4. পদার্থের অবস্থা
  5. তাপমাত্রা ও পদার্থের অবস্থা পরিবর্তন
  6. বাষ্পায়ন
  7. পদার্থ পরিমাপের একক

পদার্থ কি?

যে কোনও কিছু যা স্থান দখল করে এবং ভর থাকে তাকে পদার্থ বলা হয়।
এটি পাঁচটি মৌলিক উপাদান, পঞ্চ তত্ত্ব - বায়ু, পৃথিবী, আগুন, আকাশ এবং জল।
উদাহরণস্বরূপ: চেয়ার, বিছানা, নদী, পর্বত, কুকুর, গাছ, বিল্ডিং ইত্যাদি

পদার্থের ধর্ম

  • পদার্থ, অণু নামক ছোট ছোট কণা দ্বারা গঠিত।
  • এই কণাগুলি খালি চোখে লক্ষ্য করা যায় না।
  • এই কণাগুলি অবিচ্ছিন্নভাবে সবসময় চলতে থাকে
  • এই কণাগুলির মধ্যে ফাকা স্থান রয়েছে।
  • পদার্থের কণা আন্তঃআণবিক আকর্ষণ বলের কারণে একে অপরকে আকৃষ্ট করে।

ব্যাপন

একসাথে অবস্থান করলে পদার্থের কনাগুলির একে অপরের সাথে মিশে যায়। এই কনাগুলি নিজেদের আন্তঃআণবিক ফাঁকা স্থান দখল করে অবস্থান করে। এই ধরনের দুটি আলাদা আলাদা পদার্থের নিজেদের মধ্যে মিশে যাওয়ার ঘটনা কে ব্যাপন বলে।

কোথায় কোথায় ব্যাপন দেখা যায়?

কঠিন ও তরলের মধ্যে-

  • যখন পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গনেট, স্ফটিক জলের বিকারে রাখা হয়, জল ধীরে ধীরে নিজেই বেগুনি হয়ে যায়।
  • উভয় পটাসিয়াম পারমঙ্গনেট এবং স্ফটিক জল ক্ষুদ্র কণা দ্বারা গঠিত।
  • পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গনেট যখন স্ফটিক জলে রাখা হয়, তখন পটাসিয়াম পারমঙ্গনেটের বেগুনি বর্ণের কণাগুলি পুরো জল জুড়ে ছড়িয়ে পরে এবং সম্পুর্ন জল বেগুনি দেখায়।
  • আসলে, দ্রবীভূত হওয়ার পরে, পটাসিয়াম পারম্যাঙ্গনেটের কণাগুলি জলের কণার মধ্যে ফাঁকা স্থান গুলি দখল করে নেয়।
  • এই ঘটনা দেখায় যে কণাগুলির মধ্যে ফাঁকা স্থান রয়েছে এবং ক্রমাগত তাদের নিজেরাই চলছে।

গ্যাস ও গ্যাস এর মধ্যে-

  • একটি ধূপের কাঠি ঘরের এক কোণে জ্বালালে সুগন্ধ দ্রুত পুরো ঘরে ছড়িয়ে পড়ে।
  • ধূপের কাঠি জ্বালিয়ে উত্পাদিত গ্যাসের কণা ( বাষ্প) সমস্ত দিকে দ্রুত ছড়িয়ে পরে এবং ঘরে বাতাসের চলমান কণার সাথে মিশে যায়।
  • এটি আরও দেখায় যে পদার্থের কণাগুলি ক্রমাগত চলমান।

ব্রাউনিয়ান গতি

  • যখন একটি তরল বা গ্যাসীয় মাধ্যমের মধ্যে অন্য অণুবীক্ষণিক কণা এলোমেলো বা জিগ-জ্যাগ পথে চলাচল করে এবং পার্শ্ববর্তী মাধ্যমের অণু থেকে অবিচ্ছিন্নভাবে পরস্পর সংঘর্ষ ঘটে, তখন এই ধরনের গতিকে ব্রাউনিয়ান গতি বলা হয়।
  • উদাহরণস্বরূপ, ধূলিকণা এলোমেলোভাবে বায়ুর মধ্যে চলমান।
  • পদার্থ গুলি বাইরে থেকে কেন একে অপরের থেকে আলাদা হয়?
  • পদার্থের কনা গুলি কিভাবে সাজানো আছে।
  • পদার্থের কনা গুলির মধ্যে ভিন্ন পরিমান শক্তির অবস্থান।
  • পদার্থের কনা গুলির একে অপর থেকে দূরত্ব।

পদার্থের অবস্থা

পদার্থের অবস্থা সাধারনত তিন প্রকারের কঠিন তরল এবং গ্যাসীয় যা নিচে আলোচনা করা আছে। এছাড়া পদার্থের আরও দুটি অবস্থা আছে, প্লাজমা অবস্থা এবং বোস- আইনস্টাইন কন্ডেনসেশন অবস্থা। অর্থাৎ সমগ্র ভাবে পদার্থের পাঁচটি অবস্থা।

কঠিন অবস্থা

  • পদার্থের কণাগুলি খুব ঘনিষ্ট অবস্থায় থাকে।
  • কণাগুলির মধ্যে আকার্ষন খুব বেশি।
  • পদার্থের কণাগুলির গতি নগন্য।
  • নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন আছে।
  • এর ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি হয়।
  • চাপ দিয়ে আয়তন সংকোচন করা যায় না।

তরল অবস্থা

  • পদার্থের কণাগুলি কম ঘনিষ্ট অবস্থায় থাকে।
  • কণাগুলির মধ্যে আকার্ষন কঠিন অপেক্ষা কম।
  • পদার্থের কণাগুলির গতিশীল।
  • নির্দিষ্ট আকার নেই কিন্তু আয়তন আছে।
  • এর ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত কম হয়।
  • চাপ দিয়ে আয়তন সংকোচন করা প্রায় যায় না।

গ্যাসীয় অবস্থা

  • পদার্থের কণাগুলি বিচ্ছিন্ন অবস্থায় থাকে।
  • কণাগুলির মধ্যে আকার্ষন খুব কম।
  • পদার্থের কণাগুলি অত্যন্ত গতিশীল।
  • নির্দিষ্ট আকার ও আয়তন নেই।
  • এর ঘনত্ব অপেক্ষাকৃত অনেক কম হয়।
  • চাপ দিয়ে আয়তন সংকোচন করা যায়।

পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন

পদার্থের অবস্থা দুই রকম ভাবে পরিবর্তন করা যায়।
১) তাপমাত্রার পরিবর্তন করে।
২) চাপের পরিবর্তন করে।
 

১) তাপমাত্রা

  • বস্তুকে তাপ প্রদান করলে যে ঠাণ্ডা অথবা গরম অনুভুতি জন্মায় তাকে তাপমাত্রা বলে।
  • তাপমাত্রার CGS একক - oC
  • তাপমাত্রার SI একক - K(কেলভিন)
  • তাপমাত্রার ফলে পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন

কঠিন থেকে তরল

  • কঠিন পদার্থের তাপমাত্রা বাড়ানোর সাথে সাথে আভ্যন্তরীণ কণাগুলির গতিশক্তি বৃদ্ধি পায় যা কণাগুলির মধ্যে আকর্ষণ শক্তিকে কমিয়ে কঠিন পদার্থকে তরলে রূপান্তরিত করে।
  • গলন: পদার্থের কঠিন অবস্থা থেকে তরল পদার্থে পরিবর্তনকে গলনা বলে।
  • গলনাঙ্ক: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় একটি কঠিন পদার্থ গলে তরল হয়ে  যায় তাকে তার গলনাঙ্ক বলে।
  • বরফের গলনাঙ্ক 0˚C
  • তরল থেকে গ্যাসীয়
  • তরল পদার্থকে ক্রমশ তাপ প্রদান করতে থাকলে, এর কনাগুলির গতিশক্তি আরও বৃদ্ধি পায়, ফলে তরলটি গ্যাসে পরিবর্তিত হয়।
  • স্ফুটন: পদার্থের তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় পদার্থে পরিবর্তনকে স্ফুটন বলে।
  • স্ফুটনাঙ্ক: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় তরলের স্ফুটন হয় এবং দ্রুত গ্যাসে পরিবর্তিত হয় তাকে স্ফুটনাঙ্ক বলা হয়।
  • জলের স্ফুটনাঙ্ক 100˚C

গ্যাসীয় থেকে তরল

  • গ্যাসীয় পদার্থকে ক্রমশ ঠাণ্ডা করতে থাকলে, এর কনাগুলির গতিশক্তি কমে যায়, ফলে গ্যাসটি তরলে পরিবর্তিত হয়।
  • ঘনীভবন: পদার্থের গ্যাসীয় অবস্থা থেকে তরল পদার্থে পরিবর্তনকে ঘনীভবন বলে।
  • ঘনীভবনাঙ্ক: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় গ্যাস ঘনীভূত হয় এবং তরলে পরিবর্তিত হয় তাকে ঘনীভবনাঙ্ক বলা হয়।
  • জলীয় বাস্পের ঘনীভবনাঙ্ক 100˚C
 

তরল থেকে কঠিন

  • তরল পদার্থের তাপমাত্রা কমানোর সাথে সাথে আভ্যন্তরীণ কণাগুলির গতিশক্তি অনেক কমে যায় যা কণাগুলির মধ্যে আকর্ষণ শক্তিকে বাড়িয়ে তরল পদার্থকে কঠিনে রূপান্তরিত করে।
  • হিমন: পদার্থের তরল অবস্থা থেকে কঠিন পদার্থে পরিবর্তনকে হিমন বলে।
  • হিমাঙ্ক: বায়ুমণ্ডলীয় চাপে যে তাপমাত্রায় একটি তরল পদার্থ জমে গিয়ে কঠিন হয়ে যায় তাকে তার হিমাঙ্ক বলে।
  • জলের হিমাঙ্ক 0˚C

লীনতাপ

  • যে তাপ শুধুমাত্র পদার্থের অবস্থার পরিবর্তন ঘটায় কিন্তু উষ্ণতার কোন পরিবর্তন ঘটায় না, সেই তাপ কে লীনতাপ বলে। অর্থাৎ লীনতাপ পদার্থের ভিতরে সুপ্ত অবস্থায় থাকে, বাইরে প্রকাশ পায় না।
  • লীনতাপের CGS একক - ক্যালরি/গ্রাম (Ca/gm)
  • লীনতাপের SI একক - জুল/কেজি (J/Kg) লিনতাপ
গলনের লীনতাপ: কোন বস্তুর গলনের সময় যে পরিমান তাপ শক্তি একক পরিমান ঐ বস্তুর কঠিন অবস্থা থেকে তরল অবস্থায় পরিবর্তন ঘটায় অথবা বিপরীত ঘটনাটি ঘটায়, সেই পরিমান তাপশক্তিকে ঐ বস্তুর গলনের লীনতাপ বলে। যেমন বরফের গলনের লীনতাপ 80 Ca/gm অথবা 3.34 × 10 J/Kg অথবা 334 KJ/Kg।

স্ফুটনের লীনতাপঃ কোন বস্তুর বাষ্পীভবনের সময় যে পরিমান তাপ শক্তি একক পরিমান ঐ বস্তুর তরল অবস্থা থেকে গ্যাসীয় অবস্থায় পরিবর্তন ঘটায় অথবা বিপরীত ঘটনাটি ঘটায়, সেই পরিমান তাপশক্তিকে ঐ বস্তুর স্ফুটনের লীনতাপ বলে। যেমন জলের স্ফুটনের লীনতাপ 540 Ca/gm অথবা 22.5 × 10 J/Kg অথবা 2250 KJ/kg

উর্ধপাতন

যখন কোন পদার্থ তরল অবস্থায় না এসে সারাসরি কঠিন থেকে গ্যাস এবং গাস থেকে কঠিনে পরিবর্তন হয়, তখন তাকে উর্ধপাতন বলে। যেমন ন্যাপথলিন, নিশাদল ইত্যাদি।
 

বাষ্পীভবন

তরল পদার্থ থেকে তার স্ফুটনাঙ্কের নীচের যে কোনও তাপমাত্রায় গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তর করার প্রক্রিয়াটিকে  বাষ্পীভবন বলা হয়।
 

বাষ্পীভবনের কিছু কারন

  • পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল: তরল পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল বৃদ্ধি বাষ্পীভবনের হার বৃদ্ধি পায়।
  • তাপমাত্রা: তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে বাষ্পীভবনের হার বৃদ্ধি পায়।
  • আর্দ্রতা: আর্দ্রতা হ্রাস বাষ্পীভবনের হার বৃদ্ধি পায়।
  • বাতাসের গতি: বাতাসের গতি বৃদ্ধি বাষ্পীভবনের হার বাড়িয়ে তোলে।
 

বাষ্পীভবনের সময় আসে-পাশের পরিবেশ শীতল হয়ে যায় কেন?

বাষ্পীভবন প্রক্রিয়া চলাকালীন, তরল পদার্থের কণাগুলি গ্যাসীয় অবস্থায় রূপান্তরিত হওয়ার জন্য পার্শ্ববর্তী অঞ্চল থেকে তাপশক্তি বা বাষ্পের লীনতাপ শোষণ করে। আশেপাশের তাপশক্তির এই শোষণ চারপাশকে শীতল করে তোলে।
যেমন, মাটির ঘড়ায় জল রাখলে, ঘড়ার ছোটো ছোটো ছিদ্র দিয়ে জল বাইরে ঘড়ার গায়ে বেড়িয়ে আশে এবং বাস্পায়নের জন্য প্রয়োজনীয় লীনতাপ ভিতরের জল থেকে গ্রহন করে বাষ্পীভূত হয়ে যায়। তাই মাটির ঘড়ায় জল রাখলে জল ঠাণ্ডা থাকে।

২) চাপের পরিবর্তন

  • গ্যাস থেকে তরল অথবা কঠিন: চাপ প্রয়োগ করে এবং তাপমাত্রা হ্রাস করে গ্যাসকে তরলে পরিনত করা যায়। যখন একটি গ্যাসের উপর উচ্চ চাপ প্রয়োগ করা হয়, তখন এটি সংকুচিত হয়ে যায় এবং তাপমাত্রা হ্রাস পেলে গ্যাসটি তরল হয়।
  • কার্বন-ডাই-অক্সাইড গ্যাস এর উপর চাপ প্রয়োগ করে সরাসরি কঠিনে রুপান্তরিত করা যায় যা শুষ্ক বরফ হিসাবেও পরিচিত।


NCERT Science Bengali Version book: Matter in our surrounding In Bengali PDF is here:

PDF ডাউনলোড করুন





আশা করি আমাদের এই উদ্যোগ আপনাকে সর্বদা সাহায্য করবে। আমাদের এই NCERT Class 9 Science Chapter 1: Matter in our surrounding (with PDF) আপনাদের প্রতিযগিতামুলক পরীক্ষায় অবশ্যই সাহায্য করবে। NCERT Science Book in Bengali: Matter in our surrounding এর বিষয়ে আরও বিষদে জানতে এবং সব কিছুর আপডেট পেতে আমাদের টেলিগ্রাম গ্রুপে যুক্ত হন। লিঙ্ক উপরে দেওয়া আছে। ধ্যন্যবাদ।  (WBPortal Team)

0 Comments

Let me know about your quarry, write a comment here...............

Post a Comment

Let me know about your quarry, write a comment here...............

Post a Comment (0)

Previous Post Next Post